বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০২ পূর্বাহ্ন

নোটিশঃ
দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় সাংবাদিক  নিয়োগসহ পরিচয় পত্র নবায়ণ চলছে।

১০ টাকার লোভ দেখিয়ে হাজীগঞ্জে মু/স/লি/ম প্রতিবন্ধী মেয়েকে ধ/র্ষ/নে/র অভিযোগ হি/ন্দু ছেলের বিরুদ্ধে, ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে ইউপি মেম্বারের সালিশ

মজিবুর রহমান রনি

হাজীগঞ্জের ১১নং হাটিলা পশ্চিম ইউনিয়নের পাতানিশ গ্রামে মুসলিম প্রতিবন্ধী মেয়েকে ধর্ষনের অভিযোগ উঠছে একই ইউনিয়নের ধড্ডা পূর্ব পাড়া মালি বাড়ির নিতাই মালির ছেলে প্রীতমের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি জানাজানি হলে ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জাকির হোসেন সহ স্থানীয় সাকিল, মনির ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে সালিশি বৈঠক করেন।

সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, সোমবার বিকালে প্রতিবন্ধী মেয়েটি মুহুরী বাড়ির সামনে সাইফুলের দোকানে যায়। দোকানের সামনে থাকা অভিযুক্ত প্রীতম মালির কাছ থেকে মেয়েটি ১০ টাকা চায়। ১০ টাকা দেওয়ার লোভ দেখিয়ে সেই সুযোগে অভিযুক্ত প্রীতম মালী দোকানের সামনে থাকা বাগানে প্রতিবন্ধী মেয়েটিকে নিয়ে ধর্ষণ করেছে।
বাগান থেকে বের হওয়ার পর দোকানী সাইফুলকে ধর্ষণের বিষটি প্রতিবন্ধী মেয়েটি ইঙ্গিত করে বুঝায়।

প্রত্যদর্শী দেকানী সাইফুল বলেন : সোমবার বিকালে প্রতিবন্ধী মেয়েটি আমার দোকানের সামনে আসলে প্রীতমের কাছ থেকে মেয়েটি ১০ টাকা চায়। ১০ টাকা দেওয়ার কথা বলে প্রীতম সামনে চলে যা। দোাকনের সামনের
বাগান থেকে বের হওয়ার পর মেয়েটি ধর্ষণের বিষটি আমাকে ইঙ্গিত করে বুঝায়। পরে শুনেছি এটি নিয়ে স্থানীয় জাকির মেম্বার বিচার করবে।

প্রতিবন্ধী মেয়েটির পরিবারের সদস্যরা জানান : সোমবার রাতে স্থানীয় জাকির মেম্বার, শাকিল, মনির এসে আমাদেরকে ধর্ষণের বিষয়টি জানান, তিনি বলেন এটির বিচার তারাই করবেন।
পরবর্তীতে আমাদের বোন ধর্ষণের বিষয়টি আমাদেরকে বলে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রীতম মালির পিতা নিতাই মালি বলেন : আমার ছেলে সোমবারে ঢাকা থেকে এসেছে, শুনেছি সাইফুলের দোকানের এদিকে তার সাথে একটি ঝামেলা হয়েছে। এর আগে আমাদের বাড়ির বিভিন্ন বগাটে ছেলেদের সাথে চলাফেরা করে নানা রকম অপকর্ম করে, আমরা স্থানীয় সালিশির মাধ্যমে তার বিচার করে। জাকির মেম্বার সহ কয়েকজন বলেছিল এই ঘটনাটির বিচার করে দিবে আমরা তাদের কাছে সাদা কাগজে সাইন দিয়ে এসেছি। কিন্তু ধর্ষণের বিষয়টি নিয়ে আমরা নিশ্চিত না।

এ বিষয়ে ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি জাকির হোসেন বলেন : ঘটনাটি ঘটার পর আমি মেয়ের পরিবারের সদস্যদের জানাই। সালিশের বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করেন।

অভিযোগ আছে : জাকির মেম্বার সহ স্থানীয় শাকিল ও মনির হোসেন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়া জন্য শালিশে বসেন, অভিযুক্ত ছেলের পিতার কাছ থেকে সাদা কাগজে সাক্ষর রাখেন এবং মঙ্গলবার বিষয়টি মিমাংসা করে দিবেন বলেন।

এবিষয়ে ৬নং ওয়ার্ডে ইউপি সদস্য বিল্লাল হোসেন জানান, ঘটনাটি ঘটার পর আমাকে কেউ জানায়নি।আমাকে আজ থানা থেকে ফোন দিয়ে ঘটনাস্থলে এনেছে।

এ বিষয়ে ১১ নং হাটিলা পশ্চিম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান বলেন, ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটার পর আমাকে কেউ জানায়নি। মঙ্গলবার সকালে ওসি স্যার আমাকে জানালে আমি ঘটনাস্থলে যাই। আমরা চাই ধর্ষকের শাস্তি হোক।

এ বিষয়ে হাজিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মহিউদ্দিন ফারুক বলেন, বিষটি আমি শুনেছি এবং ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করেছি এখন মামলার প্রস্তুতি চলছে। আসামি গ্রেফতার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন পক্রিয়া চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

All rights reserved © meghnapost.com